মৃত্যুর আগে যে ২টি বিষয় অবশ্যই মীমাংসা করতে হবে

কিয়ামতের ময়দানে বান্দার যত অপরাধ পাপা চার গুনাহ অন্যায় বিচার অপরাধ এগুলো সব আল্লার দরবারে উঠানো হবে বান্দার সমস্ত বিচার গুলো কে তিন ভাগে ভাগ করা হবে,

তিন ধরনের বিচার আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আদালতে কিয়ামতে হবে, এর মধ্যে কিছু আছে বান্দার হক সংশ্লিষ্ট, আল্লাহ বলেছেন কিয়ামতের দিন সবাই যার যার প্রাণ বাঁচাতে থাকবে, কেউ কারুর পরিচয় দিতে ছাই বেনা, 

নবী সাঃ বলেছেন কিয়ামতের দিন বান্দার হক নষ্ট করে যারা আসবে এদের কোনো ক্ষমা হবে না, কিয়ামতে তিন ধরনের বিচার হবে, একটা হলো বান্দার হক, আর আরেকটা হলো আল্লার হক, আরেকটা হলো তাওহীদে যদি কোনো ভেজাল থাকে,

কেউ যদি শিরক করে যায় তাহলে এইটার সম্পর্কেও এই হাদীসে মহানবী সাঃ বলেছেন কিয়ামতের ময়দানে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই মামলা সম্পর্কে বলবেন বিনা হিসাবে সরাসরি জাহান্নাম,

আল্লাহর সাথে ইমান এবং তাওহীদ শিরক না  করা এবং কোনো মানুষের হক নষ্ট না করা 

আল্লাহ তায়ালা সব মেনে নিলেও আল্লার সাথে শিরক করা টাকে মেনে নিবেন না, তবে শিরক ছাড়া অন্য কোনো অপরাধ করলে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে মাফ করে দেন,

একানে যদি কেউ কোনো প্রকার শিরক না করে, কোনো প্রকার আল্লাহ বিরদী কাজ না করে তখন আল্লার উপর আবশ্যক হয়ে যায় এই লোকটি কে জাহান্নামের শাস্তি না দিয়ে জান্নাত দেওয়া,    

এজন্য আমাদের তাওহীদ ঠিক রেখে শিরক থেকে বেছে থাকতে হবে, নবী করিম সাঃ এর রব আল্লাহ বলেছেন হে রাসূল আপনার এবং আপনার আগে সমস্ত নবী রাসূলদের কাছে কমন ওহি পাঠানো হয়েছে, 

যদি আপনিও শিরকে লিপ্ত হন তাহলে আপনার আমল পরযন্ত বরবাদ হয়ে যাবে, নবী সাঃ বলেছেন কোনো মানুষ যদি আল্লার ঈবাদতের মধ্যে কোনো পাটনার সাব্যস্ত না করে, 

আমরা নামাজে প্রত্যেক রাখাতে বলি আল্লাহ তোমার ঈবাদত করি আবার তোমার কাছেই সাহায্য চাই, কিন্তুু আমাদের ঈবাদত এটা হবে সুন্নাহ সম্মত আর আমাদের ইমান কবে তাওহীদ সম্মত,

শিরক মুক্ত ইমাম ভেদাত মুক্ত আমল তাওহীদ যুক্ত ইমান এটাই হলো নাজাত এবং আল্লার কাছে আখিরাতের মূল-মূত্র, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বান্দার অল্প আমলে খুশি হন যদি সে আমল টা ভেজাল মুক্ত হয়,

এজন্য আমাদের কে নিয়ত করতে হবে আমরা যে কোনো মূল্যে নিজেদের কে নিজেদের পরিবার কপ সমাজ কে শিরক মুক্ত করার চেষ্টা করতে হবে, 

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কোরআনে তাঁর রাসূল কে বলেছেন হে রাসূল আপনি বলে দিন যদি আমি গায়েব জান্তাম তাহলে অনেক কল্যাণের মালিক আমি হতাম এবং আমার কোনো ক্ষতি আমাকে স্পর্শ করতে পারবে না, 

তাহলে রাসূল সাঃ কে আমরা রাসূল হিসেবে সবচেয়ে বেশি মর্যাদা দিব, এবং তিনি যে ভাবে নামাজ পড়েছেন সে ভাবে নামাজ পড়ব, যে ভাবে রোজা রেখেছেন সে ভাবে রোজা রাখব তাহ সিরাত কে অনুসরণ করব, 

কিন্তুু প্রার্থনাটা আমরা রাসূলর কাছে করব না, আল্লাহর কাছে করব,

আল্লাহ আমাদের সবাই কে তাওহীদ বুঝার তাওফিক দান করুন এবং শিরক থেকে মুক্ত থাকার নসিব দান করুন।   

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *